রিয়াজ ওসমানী
২৮ মে ২০২৩
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিগত কিছু সময় ধরে বিভিন্ন বিদেশি সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাৎকারগুলোতে এমন কিছু বলেছেন যা ভাবিয়ে তোলে। ১) তিনি বলেছেন যে বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কোনো অপব্যবহার হয়নি, যদিও আমরা জানি যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই আইনটার “কিছু” অপব্যবহার হয়েছে। ২) প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে বাংলাদেশে দুর্নীতি অল্প এবং নিচের স্তরে সংঘটিত হয় – কোনো অভিযোগ পেলে তিনি তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেন।
তিনি কি একটা ভিন্ন গ্রহে বাস করছেন? তিনি জেনে শুনে যদি মিথ্যা না বলে থাকেন তাহলে বুঝে নিতে হবে যে তার উপদেষ্টারা এবং মন্ত্রীবর্গ তাকে সব ব্যাপারে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। এবং এর কারণ ভীতি ছাড়া আর কিছু হতে পারে না৷ প্রধানমন্ত্রীর স্বৈরাচারী আচরণের কারণে তার আশেপাশের মানুষ তাকে সঠিক অনেক কিছুই বলতে ভয় পাচ্ছে। এই ধরণের স্বৈরাচারীরা এই প্রক্রিয়ার ফলে একটি পাতানো স্বর্গে বাস করে।
শেখ হাসিনার উদ্যোগে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব অবকাঠামোর উন্নয়ন, থানা-ইউনিয়ন পর্যায় স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র এবং সরকারি সেবার জন্য কম্পিউটার কেন্দ্র, দুস্থ মানুষদের জন্য বিশেষ আবাসন ইত্যাদির জন্য বাংলাদেশের অনেক মানুষ তার কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবে। কিন্তু অনেক মানুষ তার স্বৈরাচারী আচরণের জন্য ক্ষুব্ধও বটে। এবং ইতিহাস বলে দেয় যে সকল স্বৈরাচারীদেরই কোনো এক সময়ে পতন ঘটে।