রিয়াজ ওসমানী
১৭ ডিসেম্বর ২০২৪
সাংবিধানিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ যদি আগামীতে জামাত শাসিত এবং/অথবা একটি ইসলামি রাষ্ট্রে পরিণত হয়, তাহলে তার দায়ভার পুরাটাই এসে পড়বে দেশে এবং প্রবাসে অবস্থিত সকল বাংলাদেশি মুক্তমনা, নাস্তিক, প্রগতিশীল ইত্যাদি মানুষদের উপর।
যেহেতু এই সরকারের সমর্থনে জামাতি এবং মুসলমান মৌলবাদীরাও আছে, এখন সকল মুক্তমনা, নাস্তিক ও প্রগতিশীলদের আওয়াজ আরো জোরালো করতে হবে। তবে তা ফেইসবুকে হাউ কাউ, প্যান প্যান আর ভ্যান ভ্যান করে নয়। এই সরকারকে সমর্থন করে, টুইটার (এক্স) ব্যবহার করে, ইমেল করে, চিঠি লিখে, ফোন করে, পারলে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করে এই সরকারের প্রতিটি মানুষের কাছে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরে যাতে তাদের কানে শুধু জামাতি এবং মুসলমান মৌলবাদীদের কথাই না পৌছায়।
আমরা যে বাংলাদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চাই, সংবিধানকে সেকুলার দেখতে চাই এবং রাজনৈতিক ইসলামে যেই বৈষম্য অন্তর্নিহিত, তা বাংলাদেশে দেখতে চাই না, সেটা তাদেরকে বার বার শোনাতে হবে৷ ছাত্র-জনতার সাথে এই নিয়ে ভদ্র ভাষায় বিস্তর আলোচনা করতে হবে।
তা না করে মুক্তমনা, নাস্তিক ও প্রগতিশীলরা ফেইসবুকে খালি হাউ কাউ করে, বিলাপ করে আর আফসোস করে! এতে কোন কচুটা সাধন হচ্ছে? বাংলাদেশের আগামী দিনের পথকে প্রভাবিত করার বর্তমান পন্থা হচ্ছে এই সরকারকে সমর্থন করে তাকে প্রভাবিত করা, কমিশনগুলোকে প্রভাবিত করা। তা না করে সবাই গোয়াল ঘরে বসে হাম্বা হাম্বা করছে। আজই আপনাদের পন্থা পরিবর্তন করুন। পরে আর পারবেন না।