sexual orientation

রিয়াজ ওসমানী

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়ক অ্যাপ চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে যৌন অভিমুখিতা কীভাবে নির্ধারিত হয় তার সম্বন্ধে সর্বশেষ লভ্য তথ্যের একটি সারমর্ম তৈরি করা হলো। সামান্য ভাষাজনিত পরিমার্জনের পর এখানে সেই সারমর্মটি পেশ করা হলো।


১) বংশাণুভিত্তিক (জেনেটিক)

গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, মানুষের যৌন অভিমুখিতা বংশাণুগত (জেনেটিক) উপাদান দ্বারা প্রভাবিত। জমজদের উপর করা গবেষণায় দেখা গেছে, একজন জমজ যদি সমকামী হয়, তবে অন্য জমজেরও সমকামী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে, এখন পর্যন্ত কোনও একক “গে জিন” চিহ্নিত করা যায়নি। এর পরিবর্তে একাধিক জিনের সমন্বয়ে এই প্রবণতা নির্ধারিত হয় বলে গবেষণায় ফুটে উঠছে।

২) গর্ভকালীন হরমোনের প্রভাব (প্রেনাটাল হরমোনাল প্রভাব)

গর্ভাবস্থায় যখন হরমোনের নির্দিষ্ট মাত্রা থাকে, তা শিশুর মস্তিষ্কের গঠন এবং যৌন অভিমুখিতার উপর প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, গর্ভে অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন)-এর উচ্চ মাত্রা উপস্থিত থাকলে তা পুরুষদের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে পারে।

৩) মস্তিষ্কের বিকাশ (ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট)

গবেষণায় দেখা গেছে যে, সমকামী এবং বিষমকামী ব্যক্তিদের মস্তিষ্কের কিছু বিশেষ অংশের গঠন আলাদা। মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস নামক অংশ, যা যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, সেটার মধ্যে পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে এবং এটি গর্ভাবস্থায় মস্তিষ্কের বিকাশের সাথে সম্পর্কিত।

এই সকল জৈবিক উপাদান যৌন অভিমুখিতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে, সেগুলো একে অপরের সাথে একত্রিত হয়ে কাজ করে, এবং পরিপূরকভাবে তারা একটি মানুষের যৌনতা নির্ধারণে কাজ করে।

Leave a comment